ArabicBengaliEnglishHindi

শত বছরের দুর্গা মন্দিরের জায়গায় দখল করে নিলো হাউজিং কোম্পানি


প্রকাশের সময় : মে ২৫, ২০২২, ৭:১০ অপরাহ্ন / ৩৩
শত বছরের দুর্গা মন্দিরের জায়গায় দখল করে নিলো হাউজিং কোম্পানি

এনামুল হক শামীম ->>
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খোন্ডা গ্রামে ৫০ টি সনাতন ধর্মালম্বী আদিবাসী পরিবারের বসবাস। সেই গ্রামের প্রায় ৩০০ মানুষের একমাত্র উপাসনার স্থান শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের ৪১ শতাংশ জমির অধিকাংশ জায়গার মাটি কেটে দখল করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে দক্ষিণা সিটির বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসি বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষদের বসবাসের সুত্রধরে আমাদের এই গ্রামে বসবাস, আমরা সুখে শান্তিতে বসবাস করে আসছিলাম।

কিন্তু আমাদের গ্রামের পাশে একটি অবৈধ হাউজিং কোম্পানি গড়ে ওঠার পর থেকেই আমাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। আমাদের এই গ্রামটিকে গ্রাস করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে আমাদের উপরে পৈচাশি নিপিড়ন ও বিভিন্ন মামলা হামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে আসছে।

তার পেশিশক্তি ও স্থানীয় ভাড়াটে মাস্তানদের মাধ্যমে আমাদের সকল নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত করে রেখেছে ঐ হাউজিং কোম্পানির কথিত মালিক কর্নেল আরিফুল আজিম (অবঃ)। অবশেষে ২০১৯ সালে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায় মাননীয় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানের দৃষ্টিগোচর হলে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই বিদ্যুৎ সংযোগ পাই।

তারপর থেকে আমাদের উপর নেমে আসে আরো বড় দুর্ভোগ। আমাদের গ্রামের চারপাশ থেকে মাটি কেটে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে আমাদের জিম্মি করে ফেলেছে। আমাদের শতবর্ষী শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের ৪১ শতাংশ জমির মাটি কেটে দখল করে রেখেছে, আমরা বাধা দিলে বা আইনের আশ্রয় নিলে আমাদের জান মালের ক্ষতি হবে বলে হুশিয়ারী দেয় দক্ষিনা সিটির ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা।

আমাদের কোন লোক বাইরে যেতে চাইলে তাদের হুমকি ধামকী দেয়, আমাদের সন্তানদের স্কুল কলেজে যেতে হলে ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়।

এলাকার আরেক মুরুব্বি বলেন, ১৯৬৮ সালে এই ৪১ শতাংশ জমি আমাদের ধর্মীয় উপাসনালয়ের নামে দানপত্র করেদেন স্থানীয় কুমারখোদার বাসিন্দা নোরাই মন্ডলের ছেলে সন্তোষ মন্ডল ও পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, চন্দ্র মোহন মন্ডলের ছেলে ফটিক চন্দ্র মন্ডল এবং হৃদ কমল মন্ডলের ছেলে আদিন্য কুমার মন্ডল।