ArabicBengaliEnglishHindi

রাজশাহীতে ঘর পাচ্ছেন আরও ১ হাজার ১৪৯ পরিবার


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৫, ২০২২, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন / ৩০
রাজশাহীতে ঘর পাচ্ছেন আরও ১ হাজার ১৪৯ পরিবার

সৈয়দ আ: হালিম ->>
রাজশাহীতে এবার ঘর পাচ্ছেন আরও ১ হাজার ১৪৯ পরিবার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে গৃহহীনরা ঈদ উপহার হিসেবে এসব ঘর পাবেন।

রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সেখানে জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল জলিল মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঘর প্রদানের এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল জলিল জানান, আগামী ২৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তৃতীয় ধাপে রাজশাহীর ৯ উপজেলার ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ১ হাজার ১৪৯ ঘরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া ৪৮১টি ঘর উপকারভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবেন। অবশিষ্ট আরও ৭৮৬টি ঘর ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর আগেই গৃহহীনদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়াও ৩য় পর্যায়ে ১২৬৭টি ঘরের মধ্যে ১১৪৯টি ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হবে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক বলেন, রাজশাহীর ৯টি উপজেলার ১২৬৭ পরিবারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পবায় ১৫০টি, মোহনপুরে ৯২টি, তানোরে ১৬১টি, গোদাগাড়ী ২২৯টি, বাগমারায় ১৬০টি, দূর্গাপুরে ১৫৫টি, পুঠিয়ায় ১৮০টি, চারঘাটে ৬৫টি এবং বাঘায় ৭৫টি পরিবার ঘর পাচ্ছেন।

এর আগে, দেশব্যাপী বিশাল এই মহাযজ্ঞে রাজশাহীতে প্রথম ধাপে ৬৯২টি ও দ্বিতীয় ধাপে ৮৫৪টি সুদৃশ্য রঙিন টিনশেডের সেমিপাকা বাড়ি পেয়েছেন গৃহহীন ও ভূমিহীনরা।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষে’ এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার। বৃহৎ এ কর্মযজ্ঞে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। খাস জমিতে ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান করে একক গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রতিটি বাড়িতে দুটি বেড রুম, একটা কিচেন রুম, একটা ইউটিলিটি রুম, একটা টয়লেট ও একটা বারান্দা রয়েছে। দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা। প্রতিটি সেমিপাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি সবগুলো বাড়ি সরকার নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে। ঘরগুলো নির্মাণে কোনো ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি যাতে না হয় সেজন্য প্রত্যেক উপজেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিষয়টি তদারকি করেছেন।

জেলা প্রশাসক কর্যালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলন অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ শরিফুল হক ও (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা উপস্থিত ছিলেন।