ArabicBengaliEnglishHindi

মুন্সিগঞ্জ স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা, মাস্ক ব্যবহারে অনিহা


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৫, ২০২২, ১:০৫ পূর্বাহ্ন / ২৩২
মুন্সিগঞ্জ স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা, মাস্ক ব্যবহারে অনিহা

শাহ্আলম লিটন, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি –
ওমিক্রনের উত্তেজনা থাকার করনে সরকার মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে, স্বাস্থ্য বিধি কড়াকড়ি আরোপ।

গত ১০জানুয়ারি, ১১দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। সংক্রমণ রোধে সবধরনের সভা সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পযন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সরকার।

মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন জায়গার বেশির ভাগ লোকজনই স্বাস্থ্য বিধি মানার অনিহা দেখা যাচ্ছে। যার ফলে মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষিত হচ্ছে। হাট-বাজার, চায়েরদোকান,কোট-কাচারি গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে লোকজন স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা। মাস্ক ছাড়াই বেশিরভাগ লোকজন চলাফেরা জনসমাগম করছেন,চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করছেনা। এরফলে জনগনের মাঝে ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার আশাংকা রয়েছে।

তবে এরমধ্যে মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন বয়সের লোকজন করোনার বিভিন্ন মেয়াদের টিকার ডোজ নিয়েছে। তবু স্বাস্থ্য বিধি না মানার কারণে করোনার ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সবাইকে এখনই এগিয়ে আসতে হবে করোনার ঝুঁকি মোকাবেলায় গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১২টা পযন্ত ঘুওে দেখা গেলো জেলা শহরের প্রধান বাজারে কাচাবাজার, মাছের মাংস বিক্রেতা,মুদিদোকান, কাপড় দোকান, চায়ের দোকান সহ বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি, তেমনি শহরের ভাসমান দোকান মালিকদের ও মাস্ক ব্যবাহর করতে দেখা যায়নি। কেউ কেউ আবার থুতনির নিচে ঝুঁলিয়ে রেখেছেন।

মুন্সিগঞ্জ লঞ্চটার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় যে, সব বয়সের লঞ্চ যাএীরা মাস্ক ছাড়াই লঞ্চে যাতায়ত করছেন।

মোক্তারপুর সিএনজি স্টেশনে একই অবস্থা। কোন ভাবেই স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছেনা। এ বিষয়টি দেখার জন্য জনগনকে যারযার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেমন একজন দোকানদার মাস্ক পড়া থাকলে খরিদদারকে ও মাস্ক পড়তে বলবে। তেমনি একজন মিশুক চালক মাস্ক পড়লে সেও মিশুকে মাস্ক বিহীন লোক নিবেনা। লঞ্চটার্মিনালের ইজারাদার যদি মাস্ক ছাড়া যাএীদেও টার্মিনালে প্রবেশের টিকেট না দেয় তবে কোন মানুষ সেখানে প্রবোশ করতে পারবেনা এভাবে অনেকটাই স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে।

জেলা প্রশাসন থেকে স্বাস্থ্য সচেতনায় মাইকিং হচ্ছে। মোবাইল কোর্ট দিয়ে জরিমানা করছেন। তবু ও মানুষ তা শুনছেনা। কয়জন ভাসমান কাচাবাজার বিক্রেতা জিঞ্জেস করলে বলেন, গরিবরা করোনা ভয় পায়না, বড়লোকরা করোনা ভয়পায়। তরকারি বেচঁতে হবে পেটে ভাত দিতে হবে।