ArabicBengaliEnglishHindi

নোয়াখালীতে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২২, ১২:০৮ অপরাহ্ন / ৭৬
নোয়াখালীতে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে

মোঃ হাসানুর রশিদ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার স্বামী পরিত্যক্তা এক সন্তানের জননী (২৩) কে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা চাটখিল উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং একই ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের তারাব গ্রামের মতিন প্রফেসার বাড়ির মতিন প্রফেসারের ছেলে ফুয়াদ আল মতিন (৩৫)। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পাল্লা বাজারে অভিযুক্তের ইন্স্যুরেন্স অফিসে ঘটে এই ঘটনা।

ভুক্তভোগী বর্তমানে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাহার সাথে কথা বলে জানা যায়। তিনি আগে ঢাকায় বাস করতেন কিছুদিন আগে তিনি গ্রামে ফিরে আসেন এরপর তিনি একটি চাকরির খোঁজ করেন। অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা হওয়া তাকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখায়। এক পর্যায়ে রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় দিকে সে তাকে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে অভিযুক্তের ইন্সুরেন্স অফিসে ডাকে। ভুক্তভোগী ওই ইন্সেন্স অফিসে গেলে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে। এসময় ফুয়াদের আরেক সহযোগী  মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই সহযোগীও তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একই সাথে তারা ভিকটিমকে বিষয়টি কাউকে জানালে দর্শনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেয়। তারপর ঘটনাস্থল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ বিষয়ে জানতে চাটখিল থানার ওসি মোঃ আবুল খায়েরের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান শুনেছি ভিকটিম নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। কেউ এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। তবুও আমি ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি এবং ভিকটিমের সাথে কথা বলার জন্য একজন এসআইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। ভিকটিমের সাথে কথা বলে সম্পূর্ণ ঘটনা জানার পর আইনগত যথাযথ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।