ArabicBengaliEnglishHindi

দূর্নীতি ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ হলে মানবাধিকার রক্ষা পাবে : নাছিমা বেগম


প্রকাশের সময় : মার্চ ১৬, ২০২২, ৯:১৭ অপরাহ্ন / ৯৬
দূর্নীতি ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ হলে মানবাধিকার রক্ষা পাবে : নাছিমা বেগম

মারুফ আহমেদ  (মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি) ->>

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে দূনীতি মানবাধিকার লঙ্গন করে, সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় হয়েছে। মানবাধিকার সুরক্ষায় সততা নৈতিকতার জায়গায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে, মানবিক জেলা গড়তে হবে,মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। দূর্নীতি ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ হলে মানবাধিকার রক্ষা পাবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আয়োজনে বুধবার (১৬ মার্চ) সকালে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে মানবাধিকার বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ পরিচালক মো. গাজী সালাউদ্দিন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক কাজী আরফান আশিক। জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এবং জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন মাসুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা: চৌধুরী জালাল উদ্দিন মোর্শেদ, সরকারী কলেজের প্রতিনিধি শিক্ষক শাহ আব্দুল অদুদ, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক পান্না দত্ত, ক্ষুদ্র নৃগোষ্টি নারী নেত্রী বাবলী তালাংসহ জেলা কমিটির সদস্যরা। এ সময় বক্তারা ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও সভা-সমাবেশ করার তাগিদ দেন। ভূমিসহ বিভিন্ন মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমানো, তৃনমুল থেকে সহজে কমিশনে অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা করা, মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে শৃংখলায় রাখা, দ্রুতগতিতে অভিযোগ নিস্পত্তি করা সহ বিভিন্ন প্রস্তাব দেন বক্তারা। জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম আরো বলেন কমিশনের কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করতে এবং মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে জেলা কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটিতে প্রশাসন,সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্টান,প্রেসক্লাব, আইনজীবি সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। জেলা কমিটিতে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা ফোকাল পার্সনের দায়িত্বে রয়েছেন। জেলার কোথাও মানবাধিকার লঙ্গনের অভিযোগ পেলে এই কমিটি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
এছাড়াও জেলা প্রশাসনের হটলাইনে এবং কমিশনের হটলাইন নাম্বারে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অভিযোগ দিতে পারবেন ভোক্তভোগীরা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দিতে বা সেবা নিতে কোন ফিস দিতে হয় না এই বিষয়টি সাধারণ মানুষকে জানাতে হবে। প্রতিটি জেলায় জেলায় আইনজীবি প্যানেল গঠন করা হয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মানবাধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষনের চিন্তা করছে কমিশন। শিক্ষা প্রতিষ্টান ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্টান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা করার পরামর্শ দেন। দু-একটি মানবাধিকার সংগঠনের বিরুদ্ধেও ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।